bajee থেকে পাওয়া নতুন নোট-টেকিং অ্যাপ: এক সপ্তাহের অভিজ্ঞতা ডায়েরি
· অফিসিয়াল
bajee থেকে পাওয়া নতুন নোট-টেকিং অ্যাপ: এক সপ্তাহের অভিজ্ঞতা ডায়েরি
একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আমার কাজের ধরনটা একটু এলোমেলো। ক্লায়েন্টের মিটিং, নতুন আইডিয়ার ঝলকানি, জরুরি ডেডলাইন – সব কিছু মাথায় রাখাটা বেশ কঠিন। তাই একটা ভালো নোট-টেকিং অ্যাপ আমার জন্য অত্যাবশ্যক। এই চিন্তা থেকেই আমি bajee প্ল্যাটফর্মে গিয়েছিলাম, এবং সেখান থেকে একটি নতুন নোট-টেকিং অ্যাপ ডাউনলোড করেছিলাম। আজ সেই অ্যাপটি এক সপ্তাহ ব্যবহারের পর আমার অভিজ্ঞতা ডায়েরি তোমাদের সাথে শেয়ার করছি।
প্রথমেই bajee-এর কথা বলি। অ্যাপ খুঁজে বের করা এবং ডাউনলোড করাটা ছিল পানির মতো সহজ। কোনো বিজ্ঞাপন বা অপ্রয়োজনীয় পপ-আপের ঝামেলা ছাড়াই আমি অ্যাপটি পেয়ে গেছি। এটি ফ্রিল্যান্সারদের জন্য খুবই জরুরি, কারণ সময়ের মূল্য অনেক।
- প্রথম দিন: অ্যাপটি ইন্সটল করে এর ইন্টারফেসটা দেখলাম। বেশ পরিষ্কার এবং মিনিমালিস্টিক। ট্যাগিং এবং ফোল্ডার তৈরির অপশনগুলো দারুণ লাগলো। দ্রুত কিছু মিটিং নোট লিখে রাখলাম।
- তৃতীয় দিন: ক্লায়েন্টের জন্য একটি নতুন প্রজেক্টের আইডিয়া এলো। দ্রুত অ্যাপটি খুলে ভয়েস নোট রেকর্ড করলাম এবং কিছু ছবিও সংযুক্ত করলাম। এই মাল্টিমিডিয়া সাপোর্টটা খুব কাজে দিয়েছে।
- পঞ্চম দিন: বেশ কিছু টাস্ক লিস্ট তৈরি করেছি এবং সেগুলোর ডেডলাইন সেট করেছি। অ্যাপের রিমাইন্ডার ফিচারটি আমাকে সময় মতো কাজ শেষ করতে সাহায্য করেছে। একটি প্রজেক্টের কাজের অগ্রগতি ট্র্যাক করতেও এটি বেশ কার্যকর।
- সপ্তম দিন: এক সপ্তাহ শেষে আমি বলতে পারি, এই নোট-টেকিং অ্যাপটি আমার দৈনন্দিন ফ্রিল্যান্সিং জীবনে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে। আমার কাজগুলো এখন অনেক বেশি সুসংগঠিত। আইডিয়াগুলো আর হারিয়ে যায় না, এবং ডেডলাইন মিস হওয়ার ভয়ও কমেছে। bajee এর মাধ্যমে এমন একটি কার্যকর টুল খুঁজে পেয়ে আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। অন্যান্য ফ্রিল্যান্সার বন্ধুদেরও আমি bajee থেকে নিজেদের পছন্দ মতো অ্যাপ খুঁজে নিতে বলবো।